In This Blog You Can Find Articles Regarding Indian Arts, Science, Culture, Philosophy ,History ,Spirituality ,Rational and CREATIVE THOUGHTS. To ENFORCE An Earthly Life Into The DIVINE Life keeping the normal life style intact,to innovate and to reveal the new things to serve THE MOTHER- EARTH and HER DWELLERS I am inviting you to join us. Be a follower and share your thoughts. Visit https:// www.sridoctor.com to know more.
Translate
Tuesday, November 25, 2025
পূজা-যজ্ঞে বস্তু শুদ্ধিকরণে কেন গঙ্গাজল অপরিহার্য?
Tuesday, November 11, 2025
ওঁ-কে কেন ‘সাউন্ড অফ ইউনিভার্স’ বলা হয়? - আধুনিক কসমিক থিওরি
Tuesday, October 21, 2025
সখারাম গণেশ পণ্ডিত: এক ভারতীয় যিনি আমেরিকার বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে ইতিহাস লিখেছিলেন
Saturday, October 18, 2025
আলো, শক্তি ও মা কালী: ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বালানোর আধ্যাত্মিক দৃষ্টি
কালীপুজোর রাতে বাংলার ঘর, উঠোন, বারান্দা, পথঘাট থেকে শ্মশান পর্যন্ত প্রদীপের আলোয় ঝলমল করে ওঠে। অনেকেই এটাকে শুধু উৎসবের সাজ বা অমাবস্যার আলো বলে মনে করেন, কিন্তু এই প্রদীপজ্বালানোর রীতির জড় roots রয়েছে প্রাচীন শাক্তধর্ম, গ্রামীণ লোকবিশ্বাস, পূর্বপুরুষ আর তন্ত্রসাধনার সঙ্গে। এই আলো কেবল অন্ধকার ভাঙে না, বরং দেবীর আহ্বান, অশুভশক্তি নিবারণ, জীবনীশক্তি রক্ষা এবং শক্তির অভিষেকের প্রতীক।
উৎস: অন্ধকার থেকে শক্তির আহ্বান
কালীপুজো হয় কার্তিক অমাবস্যায়—যে রাতে আকাশে একফোঁটা চাঁদের আলোও থাকে না। প্রাচীন শাস্ত্রে বলা আছে, “অন্ধকারই শক্তির অগ্নিপথ”, তাই সেই রাতে আলো জ্বালিয়ে শক্তির আগমনকে স্বাগত জানানোর প্রচলন গড়ে ওঠে। গ্রামবাংলায় বিশ্বাস ছিল, কার্তিকের অমাবস্যায় অশরীরী শক্তি, ভূতপ্রেত আর দুর্ভাগ্যের ছায়া নেমে আসে। তাই বাড়ির চার কোণে, দরজার সামনে, তুলসীতলার পাশে কাঁচা প্রদীপ জ্বালিয়ে অশুভ শক্তিকে দূরে রাখা হত।
তন্ত্র ও প্রদীপ: শক্তির আসন প্রস্তুতি
তান্ত্রিক পূজায় আগুনকে ধরা হয় জীবন্ত মাধ্যম—‘অগ্নি দেবীশক্তির মুখ’। তাই আগে ঘরে যে প্রদীপ জ্বলত, তা ছিল কালীকে ডাকার এক আধ্যাত্মিক ডাক। শাস্ত্রে বলা আছে, মা কালী থাকেন দিকদিগন্তের অন্ধকারে, তাই আলো দিয়ে তাঁর পথ তৈরি করা হয়। অনেক তান্ত্রিক সাধক প্রদীপের শিখায় ধ্যান করতেন, এবং শিখাকে দেবীর জিভ, কেশ, বা চক্ষুর প্রতীক মানতেন। প্রদীপ জ্বালানো মানে পূজার মঞ্চে শক্তির আগমন ঘটানো।
সরষের তেলের প্রদীপ ও গ্রামীণ ঐতিহ্য
বাংলায় ঘরে প্রদীপ জ্বালানোর সঙ্গে সরষের তেলের যোগ সবচেয়ে গভীর। বিশ্বাস ছিল, সরষে তেল অশুভ শক্তিকে পুড়িয়ে দেয়। গ্রামে গৃহবধূরা সন্ধ্যায় উঠোনে, গোয়ালের পাশে, বারান্দায় এবং বট বা নিমগাছের নিচে প্রদীপ জ্বালাতেন, যাতে মা কালী অশুভ শক্তিকে বিনাশ করেন। অনেক পরিবার আজও অঘোরী তেলের প্রদীপ জ্বালিয়ে কালীকে সন্তুষ্ট করার রীতি বজায় রেখেছে।
পূর্বপুরুষের আত্মা ও ভূতচতুর্দশীর সংযোগ
কালীপুজোর আগের দিন ভূতচতুর্দশী। এই রাতে ১৪টি প্রদীপ জ্বালিয়ে পূর্বপুরুষের আত্মাকে শান্ত ও সন্তুষ্ট করার এক আদি প্রথা প্রচলিত। ধারণা ছিল, অমাবস্যার অন্ধকারে পিতৃপুরুষেরা ভাসতে থাকেন এবং আলো দেখে তারা পথ খুঁজে পান। তাই বারান্দা, সিঁড়ি, চাতাল, উঠোনে প্রদীপ রেখে পূর্বপুরুষকে আহ্বান ও আশীর্বাদ চাওয়া হত। এই বিশ্বাস থেকেই পরের দিনে কালী আরাধনার প্রদীপের সংস্কৃতি আরও গভীর হয়।
দরজা, জানালা ও ছাদে আলো: দেবীর পথপ্রদর্শন
গ্রামবাংলার বহু অঞ্চলে বিশ্বাস ছিল, দেবী কালরাত্রিতে আকাশপথে চলেন। তাই ছাদে, গাছের মাথায় বা বাঁশের উপর প্রদীপ বেঁধে আলো তুলে ধরা হত। একে বলা হত “আকাশবাতি” বা “দীপালোক”। আবার বাড়ির দিকনির্দেশে প্রদীপ রাখাকে ধরা হত কালী ও লক্ষ্মী দুই দেবীর পথপ্রদর্শন হিসেবে। কারণ এই রাতেই কিছু অঞ্চলে দুয়োকেই একসঙ্গে আহ্বান করা হয়।
অশরীরী শক্তি প্রতিরোধে প্রদীপের ভূমিকা
লোকবিশ্বাস ছিল, অমাবস্যায় ‘দুষ্ট আত্মা, শাকচুন্নি, ডাইনিবেগুনির’ আসর বেশি থাকে। প্রদীপের আগুনে আগুনদেবতা অশুভ শক্তিকে পুড়িয়ে নষ্ট করেন—এই ধারণা থেকেই ঘরের চারকোণে, পুকুরঘাটে ও উঠোনে প্রদীপ রাখা হত। আগুন মানে জীবন, আলোক, রক্ষা ও শক্তির উপস্থিতি।
কালীপুজোর প্রদীপজ্বালানো কোনো সাজসজ্জার অংশ নয়—এটি প্রাচীন আচার, তান্ত্রিক আহ্বান, পূর্বপুরুষ স্মৃতি, অশুভনাশ ও দেবীর শক্তির আলোক প্রতিষ্ঠা। ঘরে ঘরে প্রদীপ মানে একদিকে দেবীকে স্বাগত, অন্যদিকে নিজস্ব ভয়, অন্ধকার, মৃত্যুচিন্তা ও দুর্ভাগ্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ।
আজ আলোর ঝলকানিতে অনেকেই এর মূল তাৎপর্য ভুলে গেছেন, কিন্তু বাংলার প্রদীপসন্ধ্যা এখনো বহন করে এক গভীর আত্মিক ইতিহাস—যেখানে প্রতিটি শিখা হল শক্তির চোখ, রক্ষার বলয় এবং আলোকের শপথ।
Saturday, October 4, 2025
লক্ষীপূজায় অন্নপূর্ণা ও ধনলক্ষ্মীর পার্থক্য — লোকবিশ্বাস বনাম পুরাণদৃষ্টি
লক্ষীপূজা মানেই সমৃদ্ধি, শুভ সময়, আলো এবং শান্তির আহ্বান। কিন্তু বাংলার লোকবিশ্বাস ও পুরাণদৃষ্টিতে লক্ষ্মীর একাধিক রূপের কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে অন্নপূর্ণা ও ধনলক্ষ্মী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। একজন খাদ্যের দেবী, অন্যজন ধনসম্ভারের অধিষ্ঠাত্রী। কিন্তু গ্রামীণ সংস্কৃতি, পৌরাণিক ব্যাখ্যা এবং আধুনিক পারিবারিক মানসিকতায় এই দু’টি রূপের মধ্যে নানা সূক্ষ্ম পার্থক্য ও মিল ধরা পড়ে। সেই দৃষ্টিতেই এখানে বিশ্লেষণ করা হলো।
পুরাণে ধনলক্ষ্মীর অবস্থান
ঋগ্বেদ, পদ্মপুরাণ ও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে লক্ষ্মীকে মূলত ধন, সৌভাগ্য ও ঐশ্বর্যের দেবী হিসেবে দেখানো হয়। সমুদ্র মন্থনের ফলেই তাঁর আবির্ভাব, তাই তাঁকে ও ‘সমুদ্রকন্যা’ বলা হয়। বিষ্ণুর বক্ষলোকে তাঁর অবস্থান এবং স্বর্ণপদ্মে আসীন রূপ মহালক্ষ্মী নামে পরিচিত। গৃহস্থের ধনসম্পদ, ব্যবসার উন্নতি, গহনা, শস্যভান্ডার এবং ঐশ্বর্য তাঁর আধিপত্যক্ষেত্র। লক্ষীপূজার দিনে ধনলক্ষ্মীর আরাধনাকে অধিকাংশ শহুরে ও ব্যাবসায়িক পরিবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরে।
অন্নপূর্ণার ধারণা ও বৈদিক তাৎপর্য
অন্নপূর্ণা সাধারণভাবে পার্বতীর এক রূপ হিসেবে পূজিত হলেও, বাংলার ঘরোয়া সংস্কৃতিতে তাঁকে ‘অন্নলক্ষ্মী’ বা ‘গৃহলক্ষ্মী’ হিসেবেও দেখা হয়। স্কন্দ পুরাণ ও দেবী ভাগবত পুরাণে বলা আছে, অন্নপূর্ণা কেবল অন্নের যোগানদাত্রী নন, তিনি জীবনধারণের মূল ভিত্তি। শস্য, ধান, শাকসবজি, গোমাতা, জল ও প্রাচুর্য তাঁর অধীন। কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ বাংলায় লক্ষ্মীর চেয়ে অন্নপূর্ণার গুরুত্ব কখনো কখনো বেশি বলে বিবেচিত হয়।
লোকবিশ্বাসে দুই দেবীর পৃথক পরিচয়
লোককথা ও দৈনন্দিন প্রবাদে বলা হয়— “যেখানে ধনলক্ষ্মী আসেন, সেখানে অন্নপূর্ণাও থাকতে হবে।” আবার “অন্নপূর্ণা রুষ্ট হলে শস্যহানি, ধনলক্ষ্মী রুষ্ট হলে আর্থিক সংকট”— এ ধরনের বিশ্বাসও প্রচলিত। গ্রামীণ বাংলার অনেক পরিবার লক্ষীপূজার সঙ্গে ‘নবান্ন’ রীতি মিলিয়ে একটি দিন অন্নপূর্ণার উদ্দেশ্যে মানত দেয়। শহুরে পূজায় মন্ত্রপাঠে ধনলক্ষ্মী বেশি গুরুত্ব পেলেও গ্রামে চাল, ধান, কলস, শস্যদানাকে কেন্দ্র করে অন্নপূর্ণার পূজা বেশি সমাদৃত।
গৃহলক্ষ্মী ধারণা এবং পারিবারিক সমান্তরালতা
অনেক ঘরে বউ বা নববধূকে ‘গৃহলক্ষ্মী’ বলা হয়, যেখানে উভয় ধারণাই মিলেমিশে আছে—অন্নপূর্ণার অন্নরক্ষা এবং ধনলক্ষ্মীর সমৃদ্ধি। সংসারের প্রবাহ চালানোর জন্য যেমন টাকার প্রয়োজন, তেমনই দরকার খাদ্য ও ভান্ডার। এ কারণে লোকসংস্কৃতিতে বলা হয়, “অন্নপূর্ণা থাকলে ধনলক্ষ্মীর আগমন নিশ্চিত।”
আর্থিক সমৃদ্ধি বনাম খাদ্যনির্ভরতা — আধুনিক বাস্তবতা
শহরে ধনসম্পদ ও ব্যবসার বৃদ্ধি লক্ষীপূজার মূলচিন্তা হলেও, গ্রামে ফসলভিত্তিক জীবনযাত্রা এখনও অন্নপূর্ণার প্রতিই বেশি নির্ভরশীল। গবেষণায় দেখা গেছে, যে অঞ্চলে কৃষিজীবীর সংখ্যা বেশি সেখানে চাল, তিল, সরষে, ধানের গাদা, কলাপাতা ও তালপাতা দিয়ে অন্নলক্ষ্মীর আরাধনা হয়। অন্যদিকে ব্যবসাকেন্দ্রিক অঞ্চলে ধনলক্ষ্মীর উদ্দেশ্যে লক্ষ্যনীয়ভাবে দেনাপাওনা, হিসেবপত্র, সোনাদানা, ব্যবসার খাতা প্রার্থনার অংশ।
অন্নপূর্ণা ও ধনলক্ষ্মীকে অনেক সময় একই দেবীর দুই দিক বলে মানা হয়, আবার অনেক পরিবারে তাঁদের পৃথক প্রভাবও দেখা যায়। একজনে খাদ্য ও জীবনের নিশ্চয়তা দেন, অন্যজনে আর্থিক স্থিতি ও ভাগ্যসম্পদ আনেন। পুরাণে তাঁদের রূপ আলাদা হলেও লোকসংস্কৃতিতে তাঁরা একে অপরের পরিপূরক। লক্ষীপূজার আসল ভিত্তিও সেখানেই—অন্ন ও ধন, সংসার ও সাধনা, আস্থা ও আরাধনা মিলিয়ে জীবনের সম্পূর্ণতা অর্জন করা।
Sunday, September 28, 2025
দুর্গা পূজার পাঁচ দিনের মাঙ্গলিক মাহাত্ম্য: পঞ্চমী থেকে বিজয়া
দুর্গাপূজা কেবল একটি উৎসব নয়, এটি আমাদের জীবনের অশুভ শক্তি দূর করার, নৈতিকতা ও শক্তির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করার উৎসব। প্রতিটি দিনেই একটি নির্দিষ্ট আচার ও অর্থ নিহিত রয়েছে। প্রাচীন বিশ্বাস অনুসারে, এই পাঁচ দিনের প্রতিটি কাজ মানুষের মনকে শক্তিশালী করে, জীবনে নতুন আশা ও আনন্দ নিয়ে আসে।
পঞ্চমী: দেবীর বোধনের সূচনা
পঞ্চমী হলো দুর্গাপুজার আনুষ্ঠানিক সূচনা। এই দিনে দেবী দুর্গা আগমন করেন, অশুভ শক্তি ধ্বংস এবং শুভ শক্তি নিয়ে আসেন। প্রতিমা স্থাপন, ঢোল-ঢোলির তালে নাচ-গান এবং পুষ্প প্রদীপের ব্যবহার দেবীর শক্তি আহ্বান করার প্রতীক। পঞ্চমী দিয়ে শুরু হয় ভক্তির প্রবাহ, যা জীবনে নতুন শক্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে।
ষষ্ঠী: দেবীর বোধন অধিবাস ও স্বস্তি
ষষ্ঠী দিনে দেবী স্থায়ীভাবে মণ্ডপে অবস্থান নেন। দেবীর শান্তিপূর্ণ অবস্থান ভক্তদের মন ও সংসারে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য নিয়ে আসে। পুষ্প, ধূপ ও প্রদীপ দিয়ে দেবীর আগমনকে স্বাগত জানানো হয়। এই দিনটি বোঝায় যে ভক্তির পবিত্রতা জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি আনতে সহায়ক।
সপ্তমী: নবপত্রিকা প্রবেশ ও দেবীবন্দনা
সপ্তমীতে নবপত্রিকা বা নতুন পাতা দিয়ে দেবী বন্দনা করা হয়। বেলপাতা, তূলসীপাতা ও অন্যান্য পুষ্প দেবীর শক্তি ও নবজীবনের প্রতীক। এটি জীবনকে নবচেতনা এবং নতুন সম্ভাবনা নিয়ে উদ্দীপিত করে।
অষ্টমী: দেবীর মহা অচর্না ও সন্ধি পূজা
অষ্টমী হলো দেবীর পূর্ণ শক্তির প্রকাশ। এই দিনে দেবীর শক্তি সর্বাধিক অবস্থায় থাকে। সন্ধি পূজা অষ্টমী ও নবমীর সংযোগ নির্দেশ করে এবং দেখায় যে জীবনের সকল প্রতিকূলতা মোকাবিলা করতে ধৈর্য, একাগ্রতা এবং সততা অপরিহার্য।
নবমী: দেবীর মহিষাসুর বধের আচার
নবমী হলো দুর্গাপুজার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। দেবী মহিষাসুর বধ করেন, যাতে দুষ্ট শক্তি ধ্বংস হয় এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মানুষের মনে নৈতিকতা, সতর্কতা ও আত্মশক্তি বৃদ্ধি করে।
দশমী: বিজয় ও সিঁদুর খেলা
বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন এবং সিঁদুর খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এটি পুরনো নেতিবাচক শক্তি দূর করে নতুন সূচনার প্রতীক। ভক্তরা দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান, যেন নতুন শক্তি, আনন্দ ও আশা নিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
দুর্গাপূজা শুধুই একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়। প্রতিটি দিনেই আছেন দেবীর বিভিন্ন রূপ, যা আমাদের শেখায় জীবনে সততা, সাহস, ধৈর্য এবং একাগ্রতার গুরুত্ব। প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পাঁচ দিনের আচার ও অনুশীলন আমাদের জীবনকে শক্তিশালী, আনন্দময় এবং ন্যায়সঙ্গত করে। দুর্গাপূজা তাই কেবল উৎসব নয়, এটি জীবনের পথপ্রদর্শকও বটে।
Our Website:
https://www.sridoctor.com/about.php
Sri Yoga Centre Ashram Google:
https://share.google/b9sVmwJEpISflZsrL
Bengal Spirit Blog:
https://share.google/sKQyOtfeAIxKWHOrY
Ashram and Maths blog:
https://share.google/ZEwwsNBmuL2GwUmwQ
Sri Yoga Centre Ashram Facebook Group:
https://www.facebook.com/share/g/1Z6QftRsFj/
Sri Yoga Centre Ashram Facebook Page:
https://www.facebook.com/share/1CyybonM5p/
Sri Yoga Centre Ashram Youtube Channel:
https://youtube.com/@sriyoga_center?si=08LpHh8o1u2MrngM
Sridoctor Blog:
https://blog.sridoctor.com
Thursday, September 11, 2025
মাটিতে বসে খাওয়া: শাস্ত্রীয় মাহাত্ম্য ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
আমাদের বাঙালি ঘরে একসময় সবাই মাটিতে বা আসনে (পিড়ি, পাটি, আসন) বসে খেতেন।
আজকাল টেবিল-চেয়ারের যুগে এই অভ্যাস হারিয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু শাস্ত্র ও বিজ্ঞান বলছে — মাটিতে বসে খাওয়া শুধু ধর্মীয় আচার নয়, বরং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের এক সেরা উপায়।
শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা
ভক্তি ও কৃতজ্ঞতা
মাটিতে বসা মানে প্রকৃতির কাছাকাছি হওয়া।
ভূমি দেবীকে স্পর্শ করে খাওয়া মানে — অন্নগ্রহণে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ।
সমতা ও বিনয়
শাস্ত্রে বলা হয়েছে, খাবার সময় সবাই একসাথে মাটিতে বসলে ধনী–গরিব, ছোট–বড় ভেদাভেদ মুছে যায়।
মাটিতে বসা মানে বিনয় ও শৃঙ্খলার প্রকাশ।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
অঙ্গভঙ্গির উপকারিতা (Sukhasana বা পদ্মাসন)
মাটিতে বসে খাওয়ার সময় সাধারণত আমরা সুখাসন বা অর্ধপদ্মাসন-এর মতো ভঙ্গিতে বসি।
এতে মেরুদণ্ড সোজা থাকে, পাচনতন্ত্রে চাপ কমে।
ডাইজেস্টিভ সিস্টেম সক্রিয় হয়
মাটিতে বসে খাওয়ার সময় খাবার তুলতে বারবার সামনে ঝুঁকতে হয়।
এই নড়াচড়া পেটের পেশী ও আন্ত্রিক অঙ্গকে সক্রিয় করে, ফলে হজম শক্তি বাড়ে।
মাইন্ডফুল ইটিং
টেবিলে বসে খাওয়ার চেয়ে মাটিতে বসলে আমরা ধীরে ও মনোযোগ দিয়ে খাই।
এতে অতিরিক্ত খাবার এড়ানো যায় ও স্থূলতা কমে।
রক্তসঞ্চালনের উন্নতি
আসনে বসে খাওয়ার সময় রক্তসঞ্চালন সমানভাবে পায়ে, পেটে ও মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
এতে খাবারের পর ক্লান্তি বা অলসতা কম হয়।
অঙ্গ-সন্ধির ব্যায়াম
প্রতিবার বসা–উঠা করতে হাঁটু, কোমর ও গোড়ালির ব্যায়াম হয়।
এতে শরীর নমনীয় হয় ও বয়সজনিত সমস্যা (আর্থ্রাইটিস) দেরিতে আসে।
শাস্ত্র বলছে — মাটিতে বসে খাওয়া ভক্তি, বিনয় ও সমতার প্রকাশ।
বিজ্ঞান বলছে — এটি পাচন, রক্তসঞ্চালন ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
অতএব, মাটিতে বা আসনে বসে খাওয়া শুধুই প্রাচীন রীতি নয়, বরং একটি প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যচর্চা, যেটি আজকের ব্যস্ত জীবনে আবার ফিরে আসা উচিত।
Our Website:
https://www.sridoctor.com/about.php
Sri Yoga Centre Ashram Google:
https://share.google/b9sVmwJEpISflZsrL
Bengal Spirit Blog:
https://share.google/sKQyOtfeAIxKWHOrY
Ashram and Maths blog:
https://share.google/ZEwwsNBmuL2GwUmwQ
Sri Yoga Centre Ashram Facebook Group:
https://www.facebook.com/share/g/1Z6QftRsFj/
Sri Yoga Centre Ashram Facebook Page:
https://www.facebook.com/share/1CyybonM5p/
Sri Yoga Centre Ashram Youtube Channel:
https://youtube.com/@sriyoga_center?si=08LpHh8o1u2MrngM
Sridoctor Blog:
https://blog.sridoctor.com
Featured Posts
বাংলার এক গৌরব ও আত্মিক অহংকার — বিভা চৌধুরী
' VEDIC SOBON ' : The Discovery of ' SriDoctor ', Dr Rajatsubhra Mukhopadhyay ,- A New Contribution to the INDOLOGICAL RES...
Popular Posts
-
INDOLOGY- Is a subject. But here it is for talking about the heavenly Earth in coming days............. .....PLEASE BECOME A FOLLOWER ...

.jpeg)

.jpg)
.jpeg)
%20(9).jpeg)