In This Blog You Can Find Articles Regarding Indian Arts, Science, Culture, Philosophy ,History ,Spirituality ,Rational and CREATIVE THOUGHTS. To ENFORCE An Earthly Life Into The DIVINE Life keeping the normal life style intact,to innovate and to reveal the new things to serve THE MOTHER- EARTH and HER DWELLERS I am inviting you to join us. Be a follower and share your thoughts. Visit https:// www.sridoctor.com to know more.
Translate
Friday, January 16, 2026
দেবমূর্তির চোখ শেষ মুহূর্তে আঁকার প্রচলন কেন? এর পিছনে কি কারণ?
Wednesday, January 7, 2026
‘আমি’ ধারণাটা কি আসলেই সত্য? ভারতীয় দর্শনের আলোকে আধুনিক জীবনের প্রশ্ন
Wednesday, December 31, 2025
বাংলার এক গৌরব ও আত্মিক অহংকার — বিভা চৌধুরী
Doctor, researcher, writer, Ramkrishnian Hindu, love Vedic study, service to the poor and union of all mankind in peace, love and respect.
Friday, December 26, 2025
ইংরেজি নতুন বছর ভারতে কবে থেকে পালিত হচ্ছে?
Friday, December 5, 2025
বেদ ও প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞান — একটি বিশ্লেষণমূলক আলোচনা
Tuesday, November 25, 2025
পূজা-যজ্ঞে বস্তু শুদ্ধিকরণে কেন গঙ্গাজল অপরিহার্য?
Tuesday, October 21, 2025
সখারাম গণেশ পণ্ডিত: এক ভারতীয় যিনি আমেরিকার বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে ইতিহাস লিখেছিলেন
Thursday, September 11, 2025
মাটিতে বসে খাওয়া: শাস্ত্রীয় মাহাত্ম্য ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
আমাদের বাঙালি ঘরে একসময় সবাই মাটিতে বা আসনে (পিড়ি, পাটি, আসন) বসে খেতেন।
আজকাল টেবিল-চেয়ারের যুগে এই অভ্যাস হারিয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু শাস্ত্র ও বিজ্ঞান বলছে — মাটিতে বসে খাওয়া শুধু ধর্মীয় আচার নয়, বরং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের এক সেরা উপায়।
শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা
ভক্তি ও কৃতজ্ঞতা
মাটিতে বসা মানে প্রকৃতির কাছাকাছি হওয়া।
ভূমি দেবীকে স্পর্শ করে খাওয়া মানে — অন্নগ্রহণে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ।
সমতা ও বিনয়
শাস্ত্রে বলা হয়েছে, খাবার সময় সবাই একসাথে মাটিতে বসলে ধনী–গরিব, ছোট–বড় ভেদাভেদ মুছে যায়।
মাটিতে বসা মানে বিনয় ও শৃঙ্খলার প্রকাশ।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
অঙ্গভঙ্গির উপকারিতা (Sukhasana বা পদ্মাসন)
মাটিতে বসে খাওয়ার সময় সাধারণত আমরা সুখাসন বা অর্ধপদ্মাসন-এর মতো ভঙ্গিতে বসি।
এতে মেরুদণ্ড সোজা থাকে, পাচনতন্ত্রে চাপ কমে।
ডাইজেস্টিভ সিস্টেম সক্রিয় হয়
মাটিতে বসে খাওয়ার সময় খাবার তুলতে বারবার সামনে ঝুঁকতে হয়।
এই নড়াচড়া পেটের পেশী ও আন্ত্রিক অঙ্গকে সক্রিয় করে, ফলে হজম শক্তি বাড়ে।
মাইন্ডফুল ইটিং
টেবিলে বসে খাওয়ার চেয়ে মাটিতে বসলে আমরা ধীরে ও মনোযোগ দিয়ে খাই।
এতে অতিরিক্ত খাবার এড়ানো যায় ও স্থূলতা কমে।
রক্তসঞ্চালনের উন্নতি
আসনে বসে খাওয়ার সময় রক্তসঞ্চালন সমানভাবে পায়ে, পেটে ও মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
এতে খাবারের পর ক্লান্তি বা অলসতা কম হয়।
অঙ্গ-সন্ধির ব্যায়াম
প্রতিবার বসা–উঠা করতে হাঁটু, কোমর ও গোড়ালির ব্যায়াম হয়।
এতে শরীর নমনীয় হয় ও বয়সজনিত সমস্যা (আর্থ্রাইটিস) দেরিতে আসে।
শাস্ত্র বলছে — মাটিতে বসে খাওয়া ভক্তি, বিনয় ও সমতার প্রকাশ।
বিজ্ঞান বলছে — এটি পাচন, রক্তসঞ্চালন ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
অতএব, মাটিতে বা আসনে বসে খাওয়া শুধুই প্রাচীন রীতি নয়, বরং একটি প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যচর্চা, যেটি আজকের ব্যস্ত জীবনে আবার ফিরে আসা উচিত।
Our Website:
https://www.sridoctor.com/about.php
Sri Yoga Centre Ashram Google:
https://share.google/b9sVmwJEpISflZsrL
Bengal Spirit Blog:
https://share.google/sKQyOtfeAIxKWHOrY
Ashram and Maths blog:
https://share.google/ZEwwsNBmuL2GwUmwQ
Sri Yoga Centre Ashram Facebook Group:
https://www.facebook.com/share/g/1Z6QftRsFj/
Sri Yoga Centre Ashram Facebook Page:
https://www.facebook.com/share/1CyybonM5p/
Sri Yoga Centre Ashram Youtube Channel:
https://youtube.com/@sriyoga_center?si=08LpHh8o1u2MrngM
Sridoctor Blog:
https://blog.sridoctor.com
Tuesday, September 2, 2025
গোমূত্র ও গোবর গৃহপ্রবেশে ব্যবহৃত হয় কেন? এটা আদতে কি কোন কুসংস্কার?- প্রাচীন শুদ্ধিকরণ থেকে আধুনিক বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা
হিন্দু বাঙালি ঘরে নতুন বাড়ি তৈরি হলে বা গৃহপ্রবেশের সময়ে একটি বিশেষ আচার পালিত হয়— গোমূত্র ও গোবর দিয়ে শুদ্ধিকরণ।
অনেকেই ভাবেন এটি শুধুই ধর্মীয় কুসংস্কার, কিন্তু বাস্তবে এর পিছনে রয়েছে গভীর শাস্ত্রীয় মাহাত্ম্য এবং বৈজ্ঞানিক যুক্তি।
শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা
গোমাতা পূজিত
হিন্দুধর্মে গরুকে “গোমাতা” বলা হয়।
অথর্ববেদে বলা হয়েছে — “গাভঃ সর্বসুখপ্রদা” অর্থাৎ গরুই সকল সুখ ও সমৃদ্ধির দাত্রী।
গোমূত্র পবিত্রতার প্রতীক
পুরাণে গোমূত্রকে অমৃততুল্য বলা হয়েছে।
গৃহপ্রবেশের সময়ে গোমূত্র ছিটিয়ে অশুভ শক্তি নিবারণ ও শান্তি কামনা করা হয়।
গোবরের মাহাত্ম্য
ঋগ্বেদ ও গৃহ্যসূত্রে উল্লেখ আছে যে গোবর অগ্নিদেবকে সন্তুষ্ট করে ও ভূমিকে পবিত্র করে।
আঙিনায় গোবর লেপন মানে ‘মাতৃভূমি’র সঙ্গে সংযোগ স্থাপন।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
গোমূত্রের জীবাণুনাশক গুণ
আধুনিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে গোমূত্রে ফিনল, ইউরিয়া ও ভোলাটাইল অয়েলস থাকে।
এগুলি প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক → ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করে।
গোবরের অ্যান্টিসেপ্টিক শক্তি
শুকনো গোবর জ্বালালে প্রচুর অক্সিজেন নির্গত হয়।
গোবর দিয়ে মেঝে লেপলে তা শীতল রাখে ও মশা-পোকামাকড় দূরে রাখে।
আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি অনুযায়ী গোবর E. coli ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু মারতে সক্ষম।
বায়ু ও পরিবেশ বিশুদ্ধকরণ
গোমূত্র ও গোবর একসাথে মিশিয়ে ছিটালে ঘরের দুর্গন্ধ ও দূষণ কমে।
এটি একধরনের প্রাকৃতিক ডিসইনফেক্ট্যান্ট ও এয়ার পিউরিফায়ার।
মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব
নতুন ঘরে প্রবেশ মানে নতুন জীবনের সূচনা।
গোমূত্র ও গোবরের ব্যবহার মানসিকভাবে বিশুদ্ধতা ও নিরাপত্তার অনুভূতি দেয়।
• শাস্ত্র যেমন বলে গোমূত্র ও গোবর অশুভ শক্তি দূর করে ও গৃহপবিত্র করে,
• তেমনই বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে এগুলি প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক, এয়ার পিউরিফায়ার ও পরিবেশ রক্ষাকারী পদার্থ।
অতএব, গৃহপ্রবেশে গোমূত্র ও গোবর ব্যবহার কুসংস্কার নয়, বরং প্রাচীন ভারতীয় জ্ঞানের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময়কর মিলন।
Our Website:
https://www.sridoctor.com/about.php
Sri Yoga Centre Ashram Google:
https://share.google/b9sVmwJEpISflZsrL
Bengal Spirit Blog:
https://share.google/sKQyOtfeAIxKWHOrY
Ashram and Maths blog:
https://share.google/ZEwwsNBmuL2GwUmwQ
Sri Yoga Centre Ashram Facebook Group:
https://www.facebook.com/share/g/1Z6QftRsFj/
Sri Yoga Centre Ashram Facebook Page:
https://www.facebook.com/share/1CyybonM5p/
Sri Yoga Centre Ashram Youtube Channel:
https://youtube.com/@sriyoga_center?si=08LpHh8o1u2MrngM
Sridoctor Blog:
https://blog.sridoctor.com
Tuesday, August 26, 2025
প্রতি পূজায় গাছের পাতা ব্যবহার : শাস্ত্রীয় ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ
হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে গাছের পাতা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বেল, তুলসী, অশ্বত্থ, দুর্বা ইত্যাদি পাতা ব্যবহার করা হয় প্রায় প্রতিটি পূজায়। এই প্রথার মূল ভিত্তি কেবল কুসংস্কার নয়; বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা ও বৈজ্ঞানিক তাৎপর্য।
শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা
বেলপাতা
শাস্ত্রীয় উল্লেখ : “ত্রিপত্রং বিল্বপত্রং যঃ শিবায়ার্পয়েত্ সদা, সর্বপাপ বিনাশায় সর্বানন্দ ফলপ্রদম্।” (শিব পুরাণ)
অর্থ : তিন পাতাযুক্ত বেলপত্র শিবকে অর্পণ করলে সব পাপ নাশ হয় এবং আনন্দ লাভ হয়।
প্রতীক : তিনটি পত্র = ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর / শিবের তিন চোখ।
তুলসী পাতা
শাস্ত্রীয় উল্লেখ : “তুলসী দলমত্রেণ জলস্য চুলুকেণ চ, বিকুণ্ঠম্ লভতে ভক্ত্যা শ্রীকৃষ্ণো নাত্র সংশয়ঃ।” (পদ্ম পুরাণ)
অর্থ : একটি তুলসী পাতা বা এক চুলুক জল দিয়েও ভক্তিপূর্বক ভগবানকে সন্তুষ্ট করা যায়।
প্রতীক : তুলসী দেবীকে শাস্ত্রে বিষ্ণুপ্রিয়া বলা হয়।
অশ্বত্থ পাতা
শাস্ত্রীয় উল্লেখ : “অশ্বত্থঃ সর্ববৃক্ষাণাম্।” (ভগবদ্গীতা ১০.২৬)
অর্থ : ভগবান নিজেই বলেছেন—গাছদের মধ্যে আমি অশ্বত্থ।
প্রতীক : চিরন্তন জীবন, আধ্যাত্মিক শক্তি।
দুর্বা ঘাস
শাস্ত্রীয় উল্লেখ : “একবিংশতিদলপত্রেণ যঃ সংযোজ্য বিনায়কং পুজয়েত্ দুর্বালতাভিশ্চ সর্বান্ কামান্ লভতে ধ্রুবম্।” (গণেশ পুরাণ)
অর্থ : একুশটি দুর্বা দিয়ে গণেশকে পূজা করলে ভক্ত সকল কামনা পূর্ণ হয়।
প্রতীক : দীর্ঘায়ু, সমৃদ্ধি ও অসীম শক্তি।
অন্যান্য পাতা
আমপাতা → সমৃদ্ধি (গ্রন্থ: কাশ্যপ সংহিতা)
ধানচারা → অন্নপূর্ণার প্রতীক
পদ্মপাতা → লক্ষ্মীর প্রতীক (ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণ)
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
বেলপাতা
ঔষধি গুণ : ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, হজমশক্তি উন্নত করে।
গবেষণা : Journal of Ethnopharmacology (2004) তে বেলপাতার অ্যান্টি-ডায়াবেটিক প্রভাব প্রমাণিত হয়েছে।
তুলসী পাতা
ঔষধি গুণ : অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, ইমিউন বুস্টার।
গবেষণা : Journal of Ayurveda and Integrative Medicine (2014) এ তুলসীকে “Elixir of Life” বলা হয়েছে।
অশ্বত্থ পাতা
বৈশিষ্ট্য : দিনে-রাত অক্সিজেন ছাড়ে (Crassulacean Acid Metabolism এর মাধ্যমে)।
গবেষণা : Indian Journal of Experimental Biology (1997) – অশ্বত্থ পাতায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ পাওয়া গেছে।
দুর্বা ঘাস
ঔষধি গুণ : রক্তক্ষরণ বন্ধ, প্রদাহ হ্রাস।
গবেষণা : International Journal of Pharmacognosy (2010) – দুর্বা ঘাসের হেমোস্ট্যাটিক প্রভাব প্রমাণিত।
অন্যান্য পাতা
আমপাতা : অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ডায়াবেটিক প্রভাব (Phytomedicine Journal, 2013)।
পদ্মপাতা : শরীর ঠান্ডা রাখে, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক (Chinese Journal of Natural Medicines, 2015)।
সামাজিক ও পরিবেশগত তাৎপর্য
গাছের সঙ্গে দেবতার সম্পর্ক তৈরি হওয়ায় মানুষ গাছ কেটে ফেলতে ভয় পায়, ফলে প্রকৃতি সংরক্ষণ হয়।
উৎসব উপলক্ষে গ্রামে গাছ লাগানো হতো → পরিবেশ রক্ষার সাংস্কৃতিক কৌশল।
পূজায় পাতা ব্যবহার মানে লোকসংস্কৃতি + প্রকৃতিবিজ্ঞান + আধ্যাত্মিকতা একসাথে।
শাস্ত্র ও আধুনিক বিজ্ঞান উভয়ই প্রমাণ করে—বেল, তুলসী, অশ্বত্থ, দুর্বা ও অন্যান্য পাতা পূজায় ব্যবহার কেবল ধর্মীয় আচার নয়; এর সঙ্গে মানুষের শারীরিক স্বাস্থ্য, মানসিক প্রশান্তি, পরিবেশ রক্ষা ও সামাজিক ঐক্য নিবিড়ভাবে যুক্ত।
তাই প্রাচীন ঋষিরা এই পাতাগুলোকে দেবতার অর্চনায় যুক্ত করেছেন—যাতে মানুষ প্রকৃতিকে পূজা করার মাধ্যমে প্রকৃতিকে রক্ষা করে এবং আধ্যাত্মিক-ভৌত উভয় কল্যাণ লাভ করে।
Our Website:
https://www.sridoctor.com/about.php
Sri Yoga Centre Ashram Google:
https://share.google/b9sVmwJEpISflZsrL
Bengal Spirit Blog:
https://share.google/sKQyOtfeAIxKWHOrY
Ashram and Maths blog:
https://share.google/ZEwwsNBmuL2GwUmwQ
Sri Yoga Centre Ashram Facebook Group:
https://www.facebook.com/share/g/1Z6QftRsFj/
Sri Yoga Centre Ashram Facebook Page:
https://www.facebook.com/share/1CyybonM5p/
Sri Yoga Centre Ashram Youtube Channel:
https://youtube.com/@sriyoga_center?si=08LpHh8o1u2MrngM
Sridoctor Blog:
Featured Posts
দেবমূর্তির চোখ শেষ মুহূর্তে আঁকার প্রচলন কেন? এর পিছনে কি কারণ?
ভারতীয় সভ্যতার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো—এখানে বহু প্রাচীন নিয়ম কেবল ইতিহাস হয়ে যায়নি, বরং আজও জীবন্ত ঐতিহ্য হিসেবে পালিত হচ্ছে। দেবমূর্ত...
Popular Posts
-
INDOLOGY- Is a subject. But here it is for talking about the heavenly Earth in coming days............. .....PLEASE BECOME A FOLLOWER ...






%20(9).jpeg)
%20(14).jpeg)
.jpeg)